bayan escort izmir
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

উম্মুক্ত হলো কক্সবাজার বিমান বন্দরের ৯০০০ ফুটের দীর্ঘ রানওয়ে

coxsbazar-news-pic-30-06-2015_72459.jpg

অবসান ঘটছে প্রতিক্ষার পালা । দীর্ঘ ৯০০০ ফুটের রানওয়ে উম্মুক্ত হলো অবশেষে।  এখন থেকে এই রানওয়েতেই বিমান চলাচল করবে। গতকাল সোমবার সকাল নয়টায় ঢাকা শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৭৩৭ জাতীয় স্কাই ট্রাফিক্যাল নামে একটি বিমান ৯০০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়েতে আনুষ্ঠানিকভাবে অবতরণ করে। এরপর থেকে উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয় রানওয়েকে।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সাধন কুমার মোহন্ত জানান, গতকাল সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ৯০০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে উন্মুক্ত করা হয়। এখন থেকে রানওয়েতে বিমান উড্ডয়ন-অবতরণ কার্যক্রম চলবে। তবে আপাতত ৭৭৭ বোয়িং বিমান গুলো অবতরণ করবে না।
কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ কাজে নিয়োজিত বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন উপসহকারি প্রকৌশলী তারেক আহমেদ বলেন, আগে ৭৩৭ জাতীয় বিমান গুলোর যাতায়াত ছিল। তাও পুরো লোড নিয়ে নামতে সক্ষম ছিল না। কিন্তু এখন থেকে ৭৩৭ জাতীয় বিমান গুলো পুরো লোড নিয়ে অবতরণ করতে সক্ষম হবে।
তিনি আরও জানান, রানওয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে গেলেও আপাতত ৭৭৭ জাতীয় বিমান গুলো অতরণ করবে না। কারণ এই বিমান গুলো অবতণের জন্য আইএলএস সিস্টেম চালু করতে হয়। এটি চালুর জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ পর্যায়ে। শিগগিরই চালু হবে। এটি চালু হলে রাতেও আন্তর্জাতিক বিমান গুলো উঠানামায় আর কোন সমস্যা থাকবে না।
তারেক আহমেদ বলেন, রানওয়ে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল আগামী ৩০ জুন। কিন্তু এর অনেক আগেই ৯০০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে প্রস্তুত করেছেন তারা। কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রানওয়েতে আর কোন কাজ অবশিষ্ট নেই বলে জানান তিনি।
জানা গেছে, চলমান এই সম্প্রসারণের কাজ শেষ হলে ২০১৮ সালের মধ্যেই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরিত হবে কক্সবাজার বিমানবন্দর। তখন এ বিমান বন্দর বোয়িং ৭৭৭ -এর মতো সুপরিসর বিমান অবতরনের ক্ষমতা অর্জন করবে।
তবে নির্মাণ কাজ এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে এর ব্যয়ও। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ৫৭৮ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হলেও ব্রিজ নির্মাণ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ নির্মাণসহ প্রকল্পের মোট ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৯৫ কোটি টাকা।
ইতোমধ্যে রানওয়ের দৈর্ঘ্য ৬৭৭৫ ফুট থেকে ৯০০০ ফুট, রানওয়ের চওড়া ১৫০ ফুট থেকে ২০০ ফুটের কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়াও এয়ারফিল্ড লাইটিং সিস্টেম, ফায়ার ফাইটিংয়ের যন্ত্রপাতি ক্রয়, আইএলএস এবং ডিভিওআরসহ প্রায় ৫০ শতাংশ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এর আগে রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য মাটি ভরাট ও ড্রেজিংয়ের কাজ সম্পন্ন করে কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দর সম্প্রসারণ কাজে নিয়োজিত এক কর্মকর্তা জানান, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রায় ৫০ শতাংশ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পের প্রধান অংশ হচ্ছে স্পার্ট। এটি চলতি বছরের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে শুরু হবে। এই প্রকল্পের মেয়াদকাল ৩০ মাস হলেও কয়েক মাস বাকি থাকতেই কাজ শেষ করার বিষয়টি মাথায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছেন তারা।
উল্লেখ্য, পর্যটন শিল্প বিকাশে বর্তমান সরকার কক্সবাজারে ২৫টি মেগা উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়। এর মধ্যে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প অন্যতম। গত বছরের ২ জুলাই গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কাজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

: সৌজনে

Top
canlı bahis canlı poker canlı casino canlı casino canlı casino canlı casino oyna canlı casino