bayan escort izmir
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মাসের জন্য বন্ধ

marin-drive.jpg

আহমদ গিয়াস: কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র তীরবর্তী মেরিন ড্রাইভ সড়কে শনিবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে ৩ মাসের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। শহরের কলাতলীস্থ পৌরসভার মালিকানাধীন ১.৩ কি.মি সড়ক সংস্কার প্রকল্পের জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে রাস্তাটি বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে। পৌরসভার এ সড়কটি দিয়েই শহর থেকে মেরিন ড্রাইভে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু কোন বিকল্প সড়ক না থাকায় কক্সবাজার শহর থেকে আরাকান সড়ক ধরে উখিয়ার কোটবাজার হয়ে দীর্ঘ কয়েকগুণ ঘোরপথে এখন মেরিন ড্রাইভে যাতায়াত করতে হবে। ফলে মেরিন ড্রাইভের জনপ্রিয় পর্যটন স্পট হিমছড়ি ও ইনানীতে পর্যটকের সংখ্যা আশংকাজনক হারে কমে যাওয়ার আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি সড়কটি বন্ধ থাকায় মধ্যম ও দক্ষিণ কলাতলী এলাকার কয়েক হাজার শিশুকে প্রতিদিন পায়ে হেঁটে স্কুলে যাতায়াত করতে হবে।


কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সমুদ্রের তীর ধরে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে ওঠা ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ সড়কের উদ্বোধন হয় ২০১৭ সালের ৬ মে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সড়কটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তবে ১৯৯১-৯২ সালে সড়ক প্রকল্পটি গ্রহণের পর তখন থেকেই নির্মাণ কাজ শুরু হয় মেরিন ড্রাইভের। কিন্তু মেরিন ড্রাইভের স্টার্টিং পয়েন্ট কক্সবাজার শহরের কলাতলী থেকে বেইলি হ্যাচারি মোড় পর্যন্ত প্রায় ১৩শ মিটার সড়ক বিগত ২০০০ সালে সামুদ্রিক ভাঙনে বিলীন হয়ে গেলে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে সড়ক যোগাযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০০৫-০৬ সালে কলাতলী গ্রামের সংকীর্ণ সড়কটিকে সামান্য প্রশস্ত করে মেরিন ড্রাইভের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে এ সড়কটিতে রাস্তার পাশ্ববর্তী নালা বন্ধ করে দিয়ে গড়ে তোলা হয় একের পর এক ভবন। ফলে পানি নিষ্কাষণের পথ না থাকায় বর্ষাকালে রাস্তার ওপর বৃষ্টির পানি জমে রাস্তা ভেঙ্গে যায়। বর্তমানে এ সড়কে বড় বড় খানাখন্দকের সৃষ্টি হওয়ায় খুব সাবধানে যানবাহন চলাচল করতে হচ্ছে। ভুল গর্তে নামিয়ে দিলেই গাড়ি উল্টে যাচ্ছে বা অপর গাড়ির সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ দূর্ভোগ নিরসনে পৌর কর্তৃপক্ষ মেরিন ড্রাইভে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করেই সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের কলাতলী সংযোগ সড়ক বন্ধ রাখার ব্যাপারে আগেই সিদ্ধান্ত হলেও পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিটি শুক্রবারই গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ফলে এনিয়ে বিভিন্ন মহলে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। বিশেষ করে কলাতলীর দক্ষিণ অংশে বসবাসকারী কয়েক হাজার স্কুলগামী শিশুর অভিভাবকদের মাঝে নতুন উদ্বেগ-উৎকন্ঠা তৈরি করে। কলাতলীর দক্ষিণে মেরিন ড্রাইভের ২০ কিলোমিটারের মধ্যে দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও কোন হাইস্কুল নেই। আবার অধিকাংশ শিশু কলাতলী উত্তর অংশে পড়ালেখা করে। ফলে প্রতিদিন গড়ে ৬ কিলোমিটারেও বেশি পথ পায়ে হেঁটে শিশুদেরকে স্কুলে যাতায়াত করতে হবে বলে জানান দরিয়ানগরের বাসিন্দা ও স্কুলগামী দুই শিশুর মাতা মস্তুরা আকতার।
মেরিন ড্রাইভ বন্ধ থাকার কারণে তার সন্তানদের সুষ্ঠু পড়ালেখা ও নিয়মিত স্কুলে যাতায়াত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
মেরিন ড্রাইভ বন্ধ থাকলে দরিয়ানগরের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইসমাইল সওদাগর ও কাশেম সওদাগর শহর থেকে কীভাবে দোকানে মালামাল আনবেন তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন বলে জানান।
মেরিন ড্রাইভ বন্ধ থাকলে হিমছড়ি ও দরিয়ানগর পর্যটন স্পটে পর্যটক কমে যাবে এবং কলাতলী থেকে দক্ষিণে প্রায় ২৪ কিলোমিটার এলাকার হোটেল-মোটেলসহ অন্যান্য পর্যটন ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এসএম কিবরিয়া খান।
মেরিন ড্রাইভ সড়কের কলাতলী সংযোগ সড়ক সংস্কারের জন্য বন্ধ করার আগে সমুদ্র সৈকত দিয়ে বিকল্প সড়ক তৈরি করা উচিৎ বলে মনে করেন শুকনাছড়ি-দরিয়ানগর দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মামুন সওদাগর।
তবে মানসম্মত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সড়কটি সংস্কারকালে ৩ মাসের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান।

Top
canlı bahis canlı poker canlı casino canlı casino canlı casino canlı casino oyna canlı casino