ছুটিবিলাসী কম্বোডিয়ান

Discover-La20190102175155.jpg

বিশ্বজুড়ে দেশে দেশে নানা উৎসব পার্বণে ছুটির দিন রয়েছে। যা ওই দেশের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংস্কৃতিক ঐতিহ্যহগত কারণে এ ছুটির তালিকা নির্ধারণ করে সরকার।

এক্ষেত্রে এগিয়ে আছে কম্বোডিয়া। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ২৮দিন রয়েছে দেশটির ছুটির তালিকায়। ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাসের এক প্রতিবেদনে এমনটা বলা হয়েছে, কম্বোডিয়ায় ঐতিহ্যগত খেমার ক্যালেন্ডার বৌদ্ধ ধর্মের বিভিন্ন দিবসে ছুটি পালন করা হয়। এছাড়া চান্দ্র পঞ্জিকানুসারে, অন্যান্য ব্যবসায়িক ছুটি ভোগ করে দেশটির মানুষ।

এ তালিকায় দ্বিতীয় রয়েছে শ্রীলঙ্কা। বছরজুড়ে দেশটিতে সরকারি ছুটির দিনের সংখ্যা ২৫। ছুটির দিন উপভোগের তালিকায় ভারতীয়রাও পিছিয়ে নেই। দেশটিতে প্রতিবছর বাৎসরিক সরকারি ছুটি ২১ দিন। এই ছুটিদের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয় নানা ধর্ম ও সংস্কৃতির উপর ভিত্তি করেই।

সরকারি ছুটির তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে ফিলিপাইন। বছরে ১৮দিন সরকারি ছুটি ভোগ করেন ফিলিপিনোরা। এর মধ্যে নতুন বর্ষ উদযাপন, স্বাধীনতা দিবস ও হলি উইক উল্লেখযোগ্য।

নানা উৎসব পার্বণে ‘কাজ পাগল’ চীনারা ছুটি উপভোগ করে বছরে মাত্র ১৭দিন। এর মধ্যে চীনাদের ড্রাগন নৌকা উৎসব, ল্যানটার্ন উৎসব ও জাতীয় দিবসের কথা না বললেই নয়।


‘শ্যামদেশ’ খ্যাত থাইল্যান্ডের বাৎসরিক ছুটির দিনের সংখ্যা ১৬। একই সংখ্যা পাকিস্তানেও।

সূর্যোদয়ের দেশ জাপান ও মালয়েশিয়ার মানুষেরা ছুটি উপভোগ করে ১৫দিন। আর ইন্দোনেশিয়ায় সরকারি ছুটি ১৪দিন।

বছরে ১৩ দিন সরকারি ছুটি ভোগ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষ। দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মহীন অর্থাৎ ছুটির দিন ‘রেড ডে’ হিসেবে পরিচিত। কারণ বাৎসরিক ক্যালেন্ডারে ছুটির দিনগুলো লাল চিহ্নিত করে রাখা হয়।

‘চোজওকে’ কোরিয়ার নাগরিকদের ধন্যবাদজ্ঞাপন দিবস বেশ তাৎপর্যপূর্ণ একটি ছুটির দিন। ১৩দিন ছুটি উপভোগ করেন ‘হিমালয় কন্যা’ নেপালিরাও। আর ওই তালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে কম অর্থাৎ ১১ দিন ছুটি পায় সিঙ্গাপুরের মানুষ।

Top