টেকনাফ সেন্টমার্টিন রুটে কেয়ারী সিন্দবাদ ও ক্রুজ এন্ড ডাইন চলবে অনির্দিষ্টকাল

Keari-Sindbad-21.jpg

বেলাল ভুট্টো:দেশের প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন টেকনাফ নৌ-রুটে কেয়ারী সিন্দবাদ ও কেয়ারী ্ক্রুজ এন্ড ডাইন অনির্দিষ্ট কাল চলাচলের অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। তবে এই রুটে চলাচলকারী অন্যান্য জাহাজ চলাচলের অনুমতি বাতিল করেছে উপজেলা প্রমাশন। পর্যটন মৌসুমকালীন এই রুটে প্রায় সাতটি জাহাজ চলাচল করেছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, সাধারণত প্রতিবছর এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-নভেম্বর—এই চার মাস ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়ে থাকে। উপরোক্ত সময় সাগর উত্তাল ও আবহাওয়া অনুকূলে না থাকার আশঙ্কায় যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এ নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

 

শনিবার সকালে টেকনাফ দমদমিয়াস্ত জাহাজ ঘাট ঘুরে দেখা যায়, দেশের দুর দুরান্ত থেকে এসে পর্যটকেরা ভিড় করেছেন।শুধু কেয়ারী ‍সিন্দবাদ ও কেয়ারী ক্রুজ এন্ড ডাইনকে প্রায় সাড়ে তিনশ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। জাহাজে পর্যটক ছাড়াও দ্বীপের স্থানীয় জনা চল্লিশেক বাসিন্দা কে যেতে দেখা গেছে।

বিশেষ সুত্রে আরো জানা যায়, দুটি জাহাজের চলাচল শর্ত সাপেক্ষে দেয়া হয়েছে। শর্তগুলো হলো: ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী না নেওয়া, যেকোনো পরিস্থিতিতে পর্যটকদের নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা, আবহাওয়ার সতর্কতা-সংকেত মেনে চলা, সংকেত জারির সঙ্গে সঙ্গে জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা, যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেটসহ সব নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং ফিটনেস-লাইসেন্সের কাগজপত্র সঙ্গে রাখা।

চলাচল বন্ধ করে দেয়া জাহাজ গুলো হলো  এমভি বাঙ্গালী, গ্রীন-লাইন-১, বে-ক্রুজ, এলসিটি কুতুবদিয়া ও এলসিটি কাজলকে শনিবার সকাল থেকে এ পাঁচটি জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসুত্র: প্রথম আলো

Top