bayan escort izmir
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

বঙ্গবন্ধু দ্বীপ ভ্রমণ

unnamed.png

জাগাঙ্গীর আলম শোভন

যারা দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপে যেতে পারেননি বলে আফসোসে দাঁতে নখ কেটেছেন তাদের জন্য ভালো সুযোগ। সমুদ্রে ডুবে যাওয়া তালপট্টির কাছেই জেগে উঠলো বঙ্গবন্ধু দ্বীপ। স্থানীয় নাম পুটনী দ্বীপ। এই দ্বীপে এখনো জনমানুষের বসতি নেই। দুবলার চর থেকে ২০ কিলোমিটার আর কটকা কচিখালি থেকে ২৫ কিলোমিটার এবং মংলা বন্দর থেকে ৮০ কিলোমিটারের দূরত্বে অবস্থিত দ্বীপটিতে গিয়ে আসতে পারেন কোলাহাল বাড়ার আগেই।

এই দ্বীপটিও কি তালপট্টির মতো হারিয়ে যাবে। না আপাতত সে সম্ভাবনা নেই। কথাটা আমার নয়। গবেষকদের। গবেষকরা বলছেন, জেলেরা আড়াই দশক আগে খুঁজে পেলেও ১৯৭৬ সাল থেকেই স্যাটেলাইট ইমেজে দ্বীপটির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এর পর দ্বীপটি মাঝেমধ্যে জেগে ওঠে আবার ডুবে যায়। পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপের আকার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল অবস্থায় আসতে থাকে। এর পর থেকে না ডুবে ক্রমেই বড় হচ্ছে দ্বীপটি।

সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট থেকে ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান দ্বীপটির। চলতি বছরের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক নতুন করে জেগে ওঠা দ্বীপটিতে যায়। সেখানে তারা টানা তিনদিন অবস্থান করে দ্বীপটির অভ্যন্তরীণ মৃত্তিকা, ডিসিপি জরিপ ও ভিজিবিলিটি অ্যানালাইসিসসহ বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞানভিত্তিক অনুসন্ধান চালান। ২৯ সদস্যবিশিষ্ট গবেষক দলের প্রধান ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম। এছাড়া গবেষণা দলের সদস্য ছিলেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এম নিয়ামুল নাসের, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক মো. সিরাজুল ইসলাম, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার।

কিভাবে যাবেন?

আপাতত কটকা ও কচিখালি কিংবা দুবলার চর বা হিরণ পয়েন্ট যেভাবে যায় সেভাবেই যেতে হবে। খুলনায় কয়রা উপজেলা থেকে যদিও কাছে হবে কিন্তু সে রুট নিরাপদ কিনা তা না জেনে যাওয়া যাবেনা। ঢাকা থেকে খুলনা বা সাতক্ষীরা হয়ে যেতে পারেন মংলা বন্দর দিয়ে। খুলনা যাওয়ার জন্য বাস বা ট্রেন আছে আর সাতক্ষীরা যেতে পারবেন বাসে। কেউ চাইলে যশোর হয়ে বিমানবন্দর হয়ে যেতে পারেন।

যে কোন ট্যুর কোম্পানির সাথে চুক্তি করে সুন্দরবনে যাওয়া যায়। সুন্দরবনে যাওয়ার পর ট্যুর কোম্পানির লোকদের সহায়তায় কাটকাতে যাওয়া যায়। ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে কিংবা কমলাপুর থেকে খুলনা গামী ট্রেনে করে খুলনা গিয়ে সুন্দরবনে যাওয়া যায়।

মংলা বন্দর থেকে লঞ্চ যায় কটকা কচিখালি কিংবা হিরণপয়েন্ট পর্যন্ত। এগুলো ট্যুরিস্ট শিপ। প্যাকেজের আওতায় যেতে হয়। সেখান থেকে নৌকায় করে আপনি যেতে পারেন পুটনীর দ্বীপে। আর যদি নিজেরা আলাদা করে যেতে চান তাহলে নৌকা ভাড়া করে যেতে হবে বড় দল নিয়ে সেজন্য অবশ্যই বনরেঞ্জের অনুমতি নিতে হবে। সেক্ষেত্রে লম্বা জার্নি রয়েছে। তাবে পথে দুবলার চরে বনবাংলোতে রাত কাটাতে পারেন। এজন্য আগে থেকেই যোগাযোগ করতে হবে।

কোথায় থাকবেন

ট্যুরিস্ট ভেসেল বা নৌযান ছাড়াও সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে হিরণপয়েন্টের নীলকমল এবং টাইগার পয়েন্টের কচিখালী ও কাটকায় বন বিভাগের রেস্টহাউজে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। সুন্দরবনের পাশে সাতক্ষীরা শহরে সাধারণ মানের হোটেল ও শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জে এনজিও সুশীলনের রেস্টহাউস ও ডরমেটরিতে একক,পরিবার ও গ্রুপ নিয়ে থাকার সুবিধা রয়েছে। মংলায় আছে পর্যটন কর্পোরেশনের হোটেল,পশুর বন্দরে সাধারণ হোটেল আছে পর্যটকদের থাকার জন্য।

তবে বঙ্গবন্ধু দ্বীপে বেড়াতে গেলে সেখানে থাকাই ভালো। সেজন্য আপনার প্রস্তুতি থাকা চাই। থাকা চাই সারভাইভ করার মানসিকতা, সাহস এবং এডভেঞ্চার চিন্তা।

প্রস্তুতি

থাকার জন্য ক্যাম্প করতে হবে। খাবার নিয়ে যেতে হবে। পানির ব্যবস্থা করতে হবে। বৃষ্টির দিন হলে লাড়কিও লাগতে পারে হয়তো কেরোসিন নিলে আরো ভালো হবে। বাবৃচি বাসন কোসন নিয়ে গেলেতো কথাই নেই। আর সিলিন্ডার ও চুলা নিতে পারলেতো সোনায় সোহাগা।

নিতে পারেন ছাতা, গামছা, সানগ্লাস, খাবার স্যালাইন, ফাস্ট এইড, মশার কয়েল এবং সাপ না আসার জন্য ওষধ। ক্যাম্প করলে নিতে পারেন পিপড়া উইপোকা দমনের জন্য ইনসেকট কিলার। সোলার প্যানেলযুক্ত চার্জার কিংবা সোলার হ্যারিকেন নিতে পারেন তাই বলে দেশলাই কিংবা লাইটার নিতে ভুলবেন না। নিতে পারেন গন্ধ্রকও। নিত্য প্রয়োজনীয় সাবার টুথপেস্টতো নিবেনই। প্লাস্টিক, রশি, চাকু নিতে পারেন। গ্রুপে গেলে দা কোদাল শাবলও নিতে পারেন। ক্যাম্প করতে কিংবা পানি বা গোসলের জন্য কুপ খুড়তে কাজে লাগবে। দলে এসব কাজে দক্ষ লোক বাছাই করে নেবেন। সব লোক যেন আকামের না হয়। এক একজন লোক এক একটা কাজ করতে পারে সেভাবে দল গঠন করবেন। েঅন্তত আর কিছু না পারুক যেন বন থেকে কাঠ সংগ্রহ করার কিংবা বালিতে গর্ত করার বা গাছ কাটার যোগ্যতা থাকে। তবে একজন ভালো ক্যামেরা পার্সনও নিতে পারেন। সুন্দর স্মৃতি আপনাকে ভ্রমনের পরেও আনন্দ দিতে পারে।

কাটাছেড়া আর চুলকানার মলম নিতে পারেন। পিপড়া কিংবা পোকামাকড়ের কামড়ের জন্য ওষধ নিতে পারে। দলে যদি শিল্পী কিংবা গিটারিস্ট থাকে তাহলে মজা দ্বিগুন হবে। একটি লোহার নেট নিতে পারলে বারবিকিউ করতে পারবেন। সেজন্য কাছের দ্বীপ থেকে মুরগী বা মাছ সংগ্রহ করে রাখবেন। একজন মাঝি ও একটি নৌকাকে যতদিন থাকবেন ততদিন সাথে রাখলে ভালো। আর লাইফ জ্যাকেট নিয়ে যাবেন। আবহাওয়া যখন নিরাপদ থাকে তখন যাওয়াই ভালো। আবহাওয়া বিগড়ানোর আশংকা থাকলে নারী শিশু ও সাতার না জানা কাউকে না নিয়ে যাওয়াই ভালো।

Top
canlı bahis canlı poker canlı casino canlı casino canlı casino canlı casino oyna canlı casino