bayan escort izmir
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

মাত্র ১০০০ টাকায় বরিশালের আটঘর-ভীমরুলি-কুড়িয়ানা ভাসমান পেয়ারা বাজার ভ্রমণ করবেন যেভাবে

razib116-1464979721-05b81ac_xlarge.jpg

 

ব্যাকপ্যাকিং স্টাইলে মাত্র ১০০০ টাঁকা দিয়েই আপনারা ঘুরে আসতে পারবেন ভাসমান পেয়ারা বাজার যা বর্তমানে দেশি-বিদেশি টুরিস্টদের হটস্পট। বিস্তারিত নিচে দেখুন-

ঢাকা টু স্বরূপকাঠি লঞ্চে ডেক ভাড়া, যাওয়া + আসা= ২০০+ ২০০ টাকা
স্বরূপকাঠি থেকে ট্রলার ভাড়া ১০০০টাকা (১০জনের গ্রুপের জন্য জন প্রতি হিসাবে মাত্র১০০টাকা)
মোট ৫০০টাকা।
আর ঢাকা টু বরিশাল শহর থেকে যাওয়া আসা করলে ১০০টাকা যোগ করতে হবে। তাহলে মোট ৬০০টাকা।
এটা শুধু যাতায়াত খরচটা; খাবার খরচ বাদে। আপনার খাবার খরচের উপর উপর নির্ভর করেই আপনার মোট খরচ বাড়বে/কমবে।
কিভাবে যাবেনঃ
রুট১:
ঢাকার সদরঘাট থেকে বরিশালগামী লঞ্চে চলে যান বরিশাল শহরে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন লঞ্চ ছাড়ে। লঞ্চের ডেক ভাড়া মাত্র ২০০টাকা।
৯টার লঞ্চে উঠলে আপনি পরদিন ভোর ৫টায় বরিশাল পৌঁছে যাবেন।
বরিশাল লঞ্চ ঘাটে নেমে নতুল্লাবাদ থেকে ৫০টাকা দিয়ে স্বরূপকাঠির বাস টিকিট কেটে চলে যাবেন স্বরূপকাঠি। সময় লাগবে ১.৩০-২ ঘন্টা। বাসে গেলে সম্ভব হলে ছাদে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। স্বরূপকাঠি যাওয়ার রাস্তাটা অসম্ভব সুন্দর। রকেটের মত বাস যায়। অনেক মজা করতে পারবেন।
স্বরূপকাঠি পৌঁছে নৌকা ঠিক করে নিবেন।
রুট২:
ঢাকার সদরঘাট থেকে হুলারহাটগামী লঞ্চে চলে যান স্বরূপকাঠি লঞ্চ ঘাট (ইন্দেরহাট লঞ্চ ঘাটে)। তারপর সেখান থেকেই অথবা নদীর অপর পাশে পার হয়েও ট্রলার ভাড়া করে নিতে পারেন।
এবার ট্রলার ভাড়া প্রসঙ্গেঃ
ছাউনি আলা নৌকা ভাড়াঃ ১০০০টাকা
ছাউনি ছাড়া নৌকা ভাড়াঃ ২৫০০টাকা
আমাদের দশ জনের গ্রুপ ছিল, তাই জনপ্রতি ১০০টাকা করে পড়েছে। এক একটা ট্রলারে ১৫-২০জন উঠা যায়। আমি বলবো ছাউনি ছাড়া ট্রলার নিতে। কারন বেশি বড় ট্রলার/ছাউনি ট্রলার গুলো বেশি ভিতরে ঢুকতে পারেন না। ট্রলার ভাড়া প্রথমে বেশি চাইতেই পারে, দামা দামি করে ঠিক করে নিবেন।
আমরা যেই ছাউনি ছাড়া ট্রলারে গিয়েছিলাম, সেই মাঝি অত্যন্ত ভাল একজন। খুবিই হাসিখুশি একজন মানুষ। সব সময় মুখে হাসি দিয়ে পান খাওয়া লাল টকটকে দাঁত বের করে রাখেন। তার মত এত সরল মনের মানুষ আমার জীবনে কমই দেখেছি। তার প্রতি আমরা এতোটাই খুশি ছিলাম যে তাকে বাড়তি ১০০টাকা বখশিশ দিয়েছিলাম।
তার ফোন নম্বর দিয়ে দিলাম। উনাকে আগে থেকে বুকিং করে গেলে এই খরচেই আপনাদের ঘুরিয়ে আনবে। খুশি হয়ে আপনারা বখসিস দিলে সেটা অন্য হিসাব।
নৌকার ক্যাপ্টেনঃ মহিউদ্দিন মাঝি 01742443235
এবার খাবার প্রসঙ্গেঃ
বরিশাল/স্বরূপকাঠি যাওয়ার সময় লঞ্চেই রাতের খাবার খেতে পারেন। তবে লঞ্চে স্বভাবতই খাবার খরচটা একটু বেশি। চিকেনকারী ১০০-১২০টাকা, ভাত প্লেট ১৫টাকা। বিভিন্ন দামের মাছও আছে।
কুড়িয়ানা বাজারেই খাবার হোটেল আছে। কিন্তু অনেক সময় টুরিস্টদের চাপ থাকলে খাবার সরবরাহ দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তাই আমি বলবো সকাল সকাল গিয়ে সব কিছু ঘুরে দেখে দুপুরের মধ্যে স্বরূপকাঠি বাজারে এসে লাঞ্চ করতে পারেবন।
সেখানে একটি মধ্য মানের হোটেল আছে, আল্লাহর দান হোটেল। আপনারা যদি ফোন দিয়ে তাদের কতজন খাবেন, খাবার মেন্যু দিয়ে দেন তাহলে তারা সেইভাবে খাবার সরবরাহ করতে পারবে। সেখানে ভাত প্লেট ১০টাকা, চিকেন/মাছ ৫০টাকা, চিংড়ি প্রতি পিস ৭০টাকা। আপনাদের সুবিধার্থে খাবার হোটেলের ফোন নম্বর দিয়ে দিলাম।
আল্লাহর দান হোটেলঃ 01710783045
স্বরূপকাঠি থেকেই বিকাল ৫টার লঞ্চেই ঢাকার উদ্দেশে রওনা হতে পারেন অথবা বরিশাল শহরে গিয়ে সেখান থেকে লঞ্চে উঠে ঢাকায় ব্যাক করতে পারবেন।
আরও যা যা দেখতে পারেনঃ
আরও ঘুরে দেখতে চাইলে আগের খরচের সাথে আরও কিছু বাড়তি যোগ করতে হবে। সেটা আপনাদের ঘুরার প্লানের উপর নির্ভর করছে।
দুপুরের মধ্যে পেয়ারা বাজার দেখা শেষ করে বাসে অথবা মাহিন্দ্রা বা ইজি বাইকে করে চলে আসতে পারেন গুঠিয়া মসজিদ (বাইতুল আমান জামে মসজিদ)। সেখানে কিছুক্ষন সময় কাটিয়ে দিনের আলো থাকতে থাকতে জনপ্রতি ২৫টাকা মাহিন্দ্রা ভাড়া দিয়ে চলে আসুন দুর্গাসাগর লেক। দুর্গাসাগর লেকের চারপাশটা হেঁটে দেখবেন, পানিতে নেমে গোসল করে নিবেন। আবার জনপ্রতি ২০টাকা মাহিন্দ্রা ভাড়া দিয়ে চলে আসুন নতুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ডে।
এবার বরিশাল শহর থেকে বাসে কিংবা লঞ্চে আবার ঢাকায় ব্যাক করতে পারবেন।
টিপসঃ
*আমার এই প্লানটা ব্যাকপ্যাকারদের জন্য; আরাম প্রিয় আয়েশিদের জন্য নয়। আয়েশ করে ঘুরতে চাইলে অবশ্যই অতিরিক্ত টাকা খরচ হবে।
*লঞ্চে ডেকে ভ্রমণ কিছুটা কষ্টকর, তাই বয়স্ক কিংবা আরামপ্রিয়রা কেবিন ভাড়া নিয়ে নিতে পারেন। লঞ্চ ভেদে, সিঙ্গেল/ডাবল কেবিন ভেদে ভাড়া তারতম্য হয়ে থাকে।
*ডেকে গেলে চাদর,পাতলা কাঁথা,বালিশ নিবেন। লঞ্চ ছাড়ার আগে গিয়ে চাদর বিছাতে না পারলে আপনি কিন্তু আপনার জায়গা দখল করতে পারবেন না। ডেকে গেলে আপনার মালামাল কাছা কাছি নিরাপদে রাখবেন। কারণ লঞ্চে বিভিন্ন ধরনের মানুষ উঠে। গভীর রাতে ঘুমের সময় আপনার মালামাল চুরি হয়ে যেতে পারে। তাই সাবধানে থাকবেন।
*পেয়ারা বাগানে প্রবেশের আগে বৃষ্টির থেকে সুরক্ষার জন্য বড় পলিথিন নিয়ে নিবেন। ব্যাগ গুলো সুরক্ষা পাবে।
*সাঁতার না জানলে সেখানের পানিতে নামবেন না কিংবা লাইফ জ্যাকেট নিতে পারেন।
*বাগানে ঢুকে অনুমুতি না নিয়ে পেয়ারা ছিঁড়বেন না।
*পেয়ারা বাজারের পেয়ারা দালালদের থেকে না কিনে সরাসরি পেয়ারার মাঠ চাষিদের থেকে নিলে কিছুটা কম দামে পাবেন। মাঠ চাষিরা তাদের বাগানের পেয়ারা নৌকায় ভরে বাজারে বিক্রি করতে আসে।
*গুঠিয়া মসজিদে গিয়ে অবশ্যই মসজিদের পবিত্রতা বজায় রাখবেন। অনেক কাপল আছেন মসজিদে গিয়ে ভুলে যান যে তারা মসজিদ প্রাঙ্গণে আছেন আর আপত্তিকর ভঙ্গিতে চলাচল, ছবি, সেলফিতে মগ্ন হন। আশা করি বিষয়টা সবাই মাথায় রাখব।
*সব শেষে নিরাপদে ভ্রমণ করুন। আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কোন রকম নষ্ট না করে উপভোগ করুন।

লেখাঃ সিয়াম আনোয়ার

Top
canlı bahis canlı poker canlı casino canlı casino canlı casino canlı casino oyna canlı casino