porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ দ্রুত চালু করার জোরদাবী; বিপর্যয়ের মুখে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা

Keari-Sindbad-21.jpg

বেলাল ‍ভুট্টো: প্রতিবছর মৌসুমের শুরুতে বিশেষ করে অক্টোবর মাসের প্রথমার্ধে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন জাহাজ চলাচল শুরু হলেও, এখনো অনুমতি না মেলায় জাহাজ চলাচল শুরু করতে পারেনি ট্যুর অপারেটরগন।অতিমাত্রায় রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ফলে নিরাপত্তার অজুহাতে জেলা প্রসাশন থেকে ঝুকি এড়ানোর জন্য জাহাজ চলাচলের অনুমতি প্রধান না করায় অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে যাচ্ছে, পর্যটন শিল্পে জড়িত লক্ষাধিক পেশাজীবির জীবিকা।ফলে এই শিল্পের সংশ্লিষ্টদের মাঝে একটা উদ্ভেগ উৎকন্ঠা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের পর্যটন মৌসুম হিসেবে চিহ্নিত হলেও মুলত নভেম্বর-ডিসেম্বরই মুল মৌসুম হিসেবে বিবেচিত হয়।প্রতি বছর অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে জেলা প্রসাশন থেকে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়। কিন্তু প্রতি বছরের ন্যায় এবারও জাহাজ চলাচলের অনুমতির জন্য যথাযথ কাগজপত্র জমা দেবার পরও মেলেনি অনুমতি। ফলে ভেস্থে যাওয়ার সম্মুকিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পর্যটন উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা।

এই ব্যাপারে কেয়ারী সিন্দবাদের ঢাকা অফিসের ইনচার্জ সারোয়ার হোসেন জানান, আমরা প্রতি বছরের ন্যায় বিআইডব্লিউটিআই থেকে সী সার্টিফিকেট, শিপিং কর্পোরেশনের অনুমতি পত্র সহ আনুসঙ্গিক সকল ডকুমেন্টস দাখিল করার পরও নিরাপত্তার অজুহাতে জেলা প্রসাশন থেকে আমাদের অনুমতি প্রধান করছে না। এই শিপের উপর নির্ভর করে প্রায় হাজারের অধিক ট্যুর অপারেটর ছাড়াও সেন্টমার্টিনের অনেক অধিবাসীর জীবিকা নির্ভর করে। এখনো অনুমতি না মেলায় আমাদের মাঝে বিপর্যয় নেমে এসেছে।

টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন রুটে আরেকটি জাহাজ এলসিটি কুতুবদিয়ার কক্সবাজারের ম্যানেজার নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা জাহাজ চালু করার আবেদন করেছি প্রসাশন সার্বিক বিবেচনা করে অনুমতি প্রধান করবে। আশা করি আমরা আতি শিঘ্রই জাহাজ চালু করতে পারবো।

ট্যুর অপারেটর ওনার্স এসোশিয়েশন কক্সবাজার টুয়াকের সহ-সম্পাদক মিজানুর রহমান মিল্কি বলেন সেন্টমার্টিন এ শীপ চলাচলের অনুমতি না দিলে পর্যটন শিল্পের সাথে জডিত ট্যুর অপারেটরস, হোটেল, রেস্তোরা সহ পর্যটন সংস্লিস্ট সকলেই মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সমুক্ষীন হবে। এবং সরকার হারাবে কোটি টাকার রাজস্ব এবং ভ্রমন পিপাসুরা বঞ্চিত হবে প্রবাল দ্বীপের সৌন্দর্য উপভোগ হতে। আমার মতে অচিরেই সকল প্রকার বাধা অপসারন করে টেকনাফ -সেন্টমার্টন রুটে শীপ চলাচলের অনুমতি প্রদান করা উচিত।

সেন্টমার্টিনের ব্লু-সী ইস্টার্ণ রিসোর্ট এর মালিক নুরুল আবছার বলেন এখানে তিন শতাধিক হোটেলে প্রায় চার হাজারের অধিক শ্রমিক কর্মচারী কাজ করে, কিন্ত জাহাজ চালু না হওয়ায় এখন তাদের পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে।

প্রাসাদ প্যারাডাইজ রেস্টোরেন্ট এর ম্যানেজার বাচ্চু জানান: রেস্টোরেন্ট চালু করার জন্য লোক নিয়োগ করে পুর্নাঙ্গ প্রস্তুুতি নিয়ে বসে আছি। কিন্তু অনুমতি না মেলায় প্রতিদিনই শ্রমিকদের বসিয়ে রেখে বেতন দিতে হচ্ছে।

তাছাড়া কক্সবাজারের সিংহভাগ ট্যুরিষ্টই সেন্টমার্টিনে ভ্রমনের উদ্দেশেও কক্সবাজার ভ্রমন করে থাকে।কক্সবাজার স্বপ্নবিলাস স্কাই গেস্ট হাউসের ব্যবস্থাপনা পরিচালন নুর মোহাম্মাদ বলেন ”সেন্টমার্টিন যদি অতি দ্রুত চালু না হলে কক্সবাজারমুখি শতকরা চল্লিশ ভাগ পর্যটক কক্সবাজার খেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, যার দরুন সরকার অনেক রাজস্ব হারাবে”।

 

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক বলেন: পর্যটন মৌসুমে ছয়টি জাহাজ প্রতিদিন চার থেকে সাড়ে চার হাজার পর্যটককে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে আনা নেয়া করে। সাধারণ নৌকা করে যাওয়া-আসা করে আরো অন্তত কয়েকশ পর্যটক। এ অবস্থায় পর্যটকদের সুবিধার্থে দ্রুত জাহাজ চলাচল শুরু করতে প্রশাসনের অন্যান্য বিভাগের আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

উল্লেখ্য প্রমোদ ভ্রমণের জন্য দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন নিয়ে পর্যটকদের আগ্রহ দিনদিন বাড়ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বছরের ছয় মাস টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন পর্যন্ত জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকলেও বছরের বাকিটা সময় উত্তাল বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে পর্যটকরা ছুটে যান সেখানে এই দৃষ্টিনন্দন প্রবালদ্বীপে। কক্সবাজার সেন্টমার্টিন ঢাকাসহ শহর মিলিয়ে প্রায় পাচ হাজার ট্যুর অপারেটর সহ লক্ষাধিক মানুষ সেন্টমার্টিনের পর্যটন কেন্দ্রিক জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু চলতি বছরের ২৫শে আগস্ট থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ শুরু হওয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে বন্ধ রাখা হয়েছে সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে।

 

Top
antalya escort bursa escort adana escort mersin escort mugla escort