porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করবেন না ইংলিশ ফুটবলাররা

photo-1555671405.jpg

ফুটবল মাঠে বর্ণবাদের ঘটনা নতুন নয়। ইউরোপের ক্লাব ফুটবলে প্রায়ই দুর্বিষহ বর্ণবাদী পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয় কৃষ্ণাঙ্গ ফুটবলারদের। ইংলিশ ফুটবলের এ মৌসুমে নিয়মিতই বর্ণবাদের ঘটনার কথা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ডিসেম্বর থেকে ইংলিশ অনেকটা মহামারী হয়ে দেখা দিয়েছে বর্ণবাদী বৈষম্য ও মন্তব্য। মাঠে খেলা চলাকালীন পাশাপাশি মাঠের বাইরে এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে প্রতিনিয়ত বর্ণবাদের শিকার হচ্ছেন পেশাদার ফুটবলাররা।

বর্ণবাদের মতো ঘৃণ্য ঘটনার প্রতিবাদস্বরূপ ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের পেশাদার ফুটবলাররা আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ শুক্রবার সারা দিন ফেসবুক-টুইটারসহ কোনো সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করবেন না ইংলিশ ফুটবলাররা। শুধু কথার কথা নয়, এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন ফুটবলার নিজেদের ইনস্টাগ্রাম ও টুইটার আইডি বন্ধ করে এই প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন।

ডিসেম্বর থেকে থেকে এখন পর্যন্ত ইংলিশ ফুটবলে অন্তত আটটি বর্ণবাদের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে চলতি এপ্রিল মাসেই ঘটেছে অন্তত চারটি ঘটনা। ন্যক্কারজনক এই বর্ণবাদী কাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন অনেকেই। আর এমন ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবেই এ বয়কটের ঘোষণা আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বয়কট করা প্রসঙ্গে ওয়াটফোর্ড ইউনাইটেডের ইংলিশ ফুটবলার ট্রয় ডিন বলেন, ‘অনেক হয়েছে,আর নয়।’

সামাজিক যোগাযোগ বয়কট করে করা প্রতিবাদ প্রসঙ্গে  ডিন বলেন, ‘শুক্রবার আমরা সবাইকে একটা বার্তা দিতে চাই যে, যারা খেলোয়াড়দের কিংবা যেকোনো মানুষকে গ্যালারি থেকে অথবা অনলাইনে বর্ণবাদী মন্তব্য করে থাকে, তাদের অন্তত ফুটবলের ক্ষেত্রে সহ্য করব না আমরা। এই বয়কট করা ছোট্ট একটা পদক্ষেপ মাত্র। আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এখন থেকে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব।’

গত মাসে বর্ণবাদের শিকার হওয়া টটেনহাম হটস্পারের ইংলিশ ফুটবলার ড্যানি রোজ এই বয়কট প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি চাই না ভবিষ্যতে আর কোনো ফুটবলার আমার মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাক। আমরা একত্রে রুখে দাঁড়ালে অনেক কিছুই আটকানো সম্ভব। ফুটবলের কর্তাব্যক্তি এবং সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলো এখন যা করছে, সেটা খেলোয়াড়দের বর্ণবাদ থেকে বাঁচানোর জন্য খুবই নগণ্য।

Top
antalya escort bursa escort adana escort mersin escort mugla escort